০৯ এপ্রিল ২০২৬ , ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল- ২০২৬ সংসদে পাস

বাসস, ঢাকা
আপলোড সময় : ০৮-০৪-২০২৬
সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল- ২০২৬ সংসদে পাস
বিদ্যমান আইনকে আধুনিকায়ন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি বা সত্তা এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল- ২০২৬ আজ সংসদে পাস হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আজ বুধবার (8 এপ্রিল)  সংসদে বিলটি উত্থাপন ও পাশের প্রস্তাব করেন। এটি ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা 'সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ' প্রতিস্থাপন করবে।

বিলে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কাজের সঙ্গে জড়িত থাকলে সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়ে সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারবে বা সত্তার যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারবে।

এতে বলা হয়েছে, উক্ত সত্তা কর্তৃক বা উহার পক্ষে বা সমর্থনে যেকোনো প্রেসবিবৃতির প্রকাশনা বা মুদ্রণ কিংবা গণমাধ্যম, অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা অথবা মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন বা জনসম্মুখে বক্তৃতা প্রদান নিষিদ্ধ করবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'কতিপয় সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ এবং উহাদের কার্যকর শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করার লক্ষ্যে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়। উক্ত আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত রয়েছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত কারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে।'

তবে বর্তমান আইনে কোনো সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে কোনো বিধান নেই। উক্ত বিষয়টি স্পষ্টীকরণসহ বিধান সংযোজন আবশ্যক হেতু সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-কে সময়োপযোগী করে উক্ত আইনের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজন প্রতীয়মান হওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এ আইনটির ১৮ ও ২০ ধারা সংশোধনপূর্বক সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

বিলে বিলুপ্তি ও সংরক্ষণ ধারা রয়েছে। আইন পাস হওয়ার পর ২০২৫ সালের সংশোধন অধ্যাদেশ বিলুপ্ত হবে; তবে অধ্যাদেশের আওতায় নেওয়া সকল কার্যক্রম নতুন আইনের অধীনে বৈধ থাকবে।

পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে বিলটি পাস হয়। 


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ