কোনো সমঝোতা ছাড়া ফিরে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধি দল

আপলোড সময় : ১২-০৪-২০২৬ , আপডেট সময় : ১২-০৪-২০২৬ ০৯:৩৯:২০ পূর্বাহ্ন
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন—পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় শেষ পর্যন্ত কোনও সমঝোতা হয়নি। দীর্ঘ বৈঠক ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা হলেও, দুই পক্ষের অবস্থানগত পার্থক্য কাটেনি। ফলে কোনও সমঝোতা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল দেশে ফিরে যাচ্ছে। কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, কোনও চুক্তি ছাড়াই তারা দেশে ফিরছেন। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি প্রথমেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানান এবং তাদের ‘অসাধারণ আতিথেয়তার’ প্রশংসা করেন। জেডি ভ্যান্স বলেন, ‘আলোচনায় যে ঘাটতিগুলো রয়ে গেছে, সেগুলোর জন্য পাকিস্তানিদের দায়ী করা যাবে না। তারা অসাধারণ কাজ করেছে এবং আমাদের ও ইরানের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সত্যিই চেষ্টা করেছে। আমরা প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেছি এবং ইরানিদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এটা ভালো দিক।’ তিনি আরও বলেন, ‘খারাপ খবর হলো আমরা কোনও চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি এবং আমি মনে করি এটা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ইরানের জন্য বেশি খারাপ খবর। তাই আমরা কোনও চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছি। আমরা আমাদের ‘রেড লাইন’ কী, কোন বিষয়ে ছাড় দিতে পারি আর কোন বিষয়ে পারি না—সবই পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের শর্ত মেনে নেয়নি।’ ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিক যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর চেষ্টা করবে না। সহজভাবে বলতে গেলে, আমরা একটি সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেখতে চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনও সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টাও করবে না, যা তাদের দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সহায়তা করবে। এটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য এবং আমরা এই আলোচনার মাধ্যমে সেটাই অর্জন করার চেষ্টা করেছি।’ তিনি বলেন, ‘তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি যেমনই থাকুক, আগে যে সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলো ছিল, সেগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। কিন্তু মূল প্রশ্ন হলো— ইরান কি দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির বিষয়ে মৌলিক অঙ্গীকার করবে? শুধু এখন নয়, দুই বছর পরও নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে? আমরা এখনও সেই প্রতিশ্রুতি দেখিনি। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতে তা দেখা যাবে।’ তিনি আরও বলেন, আলোচনায় বিভিন্ন ইস্যুতে কথা হয়েছে, কিন্তু কোনও অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হয়নি। আমরা এমন পরিস্থিতিতে পৌঁছাতে পারিনি যেখানে ইরান আমাদের শর্ত মেনে নিতে রাজি হয়েছে। আমি মনে করি আমরা যথেষ্ট নমনীয় ছিলাম, অনেক ছাড় দেওয়ার মনোভাব দেখিয়েছি। প্রেসিডেন্ট (ট্রাম্প) আমাদের বলেছেন— সৎ উদ্দেশ্যে এখানে আসো এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করো। আমরা সেটাই করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমরা কোনও অগ্রগতি করতে পারিনি।’ সূত্র: আল জাজিরা

সম্পাদকীয় :

Editor and Publisher-    Muhammad Nurul Islam

Executive Editor-  Kazi Habibur Rahman.  Managing Editor -  Eng. Mohammed Nazim Uddin
Head Office: Paris, State: Île-de-France
Dhaka office : House No-421 (1st Floor), Road No- 30, New DOHS, Mohakhali, Dhaka. Bangladesh.

Email: editor.eurobarta@gmail.com.

www.eurobarta.com সকল অধিকার সংরক্ষিত 

অফিস :