প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার কন্যাকে নিয়ে ছড়ানো একটি এআই-নির্মিত কুরুচিপূর্ণ স্ক্রিনশটের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভোর সাড়ে চারটার দিকে ধানমন্ডি থানা থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে একই থানায় তাকে আনা হয়। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না।
ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সকালে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে একটি আপত্তিকর পোস্টের স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ে। ওই স্ক্রিনশটে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের ফেসবুক আইডি দেখানো হয়। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে সন্ধ্যা নাগাদ ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণে জানা যায়, ওই পোস্ট আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ করেননি; বরং এটি এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করে ছড়ানো হয়েছে।
এ ঘটনার জের ধরে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও তার কিছু সহযোগী শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে সেখানে ছাত্রদলের সঙ্গে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ওই চারজনকে নিরাপত্তার অজুহাতে শাহবাগ থানা থেকে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে যায়।
ধানমন্ডি থানা পুলিশ জানিয়েছে, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে ওই এআই পোস্ট তৈরির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনাটি নিয়ে আইনি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে শাহবাগ থানায় হামলার ঘটনায় ডাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন খান পুলিশের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘থানায় কোনো নাগরিক নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করতে গেলে তাকে সেফটি দেওয়ার ক্ষেত্রে আজ যে ব্যর্থতা দেখলাম, তা জাতির সামনে স্পষ্ট হয়েছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রকৃত নিরাপত্তার চেয়ে উত্তেজনা ক্যাম্পাস থেকে দূরে সরিয়ে রাখতেই এই স্থানান্তর ঘটেছে।
ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতে শাহবাগ থানা এলাকায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির-ডাকসু নেতাদের মধ্যে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হন। এ ঘটনার পর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আহতদের মধ্যে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও সাহিত্য সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ রয়েছেন। তারা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এআই পোস্টের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে মুক্তি দেওয়া হলেও কে বা কারা এই জালিয়াতি ঘটিয়েছে, তা জানতে পুলিশের তদন্ত চলছে।
ছাত্র দল ছাত্র শিবির সংঘর্ষ
শাহবাগ থানায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পালটাধাওয়ায় ডাকসুর দুই নেতাসহ ১১ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩এপ্রিল) রাত পৌনে ১০টার দিকে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
আহতরা হলেন- ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের (২৩), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক (২৩), তানজিম(২১), সিফাত (২০), লিটন (২১), খালিদ (২৫), আলভী (২২), দেবাশীষ(২৮), আফরোজা (৩০), জিসান (২৬) ও নবাব (২২)।
এদিকে তাদের দেখতে ঢামেক হাসপাতালে আসেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মোবাইলের ফেইক স্কিন শর্ট নিয়ে আমাদের ডাকসুর নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুনকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। মামুন জীবনের নিরাপত্তার জন্য শাহবাগ থানায় যায় জিডি করতে। যেখানে মানুষের নিরাপত্তা দেবার কথা সেই থানাতেই আমাদের ভাইদের ওপর হামলা করে। শুধু তাই নয়, সাংবাদিক ভাইদের ওপরও হামলা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই হামলার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। আমরা প্রশাসনসহ ছাত্রদলের সবার সঙ্গে কথা বলব। আজ যারা আমার ভাইদের ওপর নেক্কারজনক হামলা করেছে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে।’
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভোর সাড়ে চারটার দিকে ধানমন্ডি থানা থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে একই থানায় তাকে আনা হয়। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না।
ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সকালে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে একটি আপত্তিকর পোস্টের স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ে। ওই স্ক্রিনশটে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের ফেসবুক আইডি দেখানো হয়। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে সন্ধ্যা নাগাদ ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণে জানা যায়, ওই পোস্ট আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ করেননি; বরং এটি এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করে ছড়ানো হয়েছে।
এ ঘটনার জের ধরে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও তার কিছু সহযোগী শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে সেখানে ছাত্রদলের সঙ্গে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ওই চারজনকে নিরাপত্তার অজুহাতে শাহবাগ থানা থেকে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে যায়।
ধানমন্ডি থানা পুলিশ জানিয়েছে, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে ওই এআই পোস্ট তৈরির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনাটি নিয়ে আইনি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে শাহবাগ থানায় হামলার ঘটনায় ডাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন খান পুলিশের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘থানায় কোনো নাগরিক নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করতে গেলে তাকে সেফটি দেওয়ার ক্ষেত্রে আজ যে ব্যর্থতা দেখলাম, তা জাতির সামনে স্পষ্ট হয়েছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রকৃত নিরাপত্তার চেয়ে উত্তেজনা ক্যাম্পাস থেকে দূরে সরিয়ে রাখতেই এই স্থানান্তর ঘটেছে।
ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতে শাহবাগ থানা এলাকায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির-ডাকসু নেতাদের মধ্যে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হন। এ ঘটনার পর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আহতদের মধ্যে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও সাহিত্য সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ রয়েছেন। তারা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এআই পোস্টের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে মুক্তি দেওয়া হলেও কে বা কারা এই জালিয়াতি ঘটিয়েছে, তা জানতে পুলিশের তদন্ত চলছে।
ছাত্র দল ছাত্র শিবির সংঘর্ষ
শাহবাগ থানায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পালটাধাওয়ায় ডাকসুর দুই নেতাসহ ১১ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩এপ্রিল) রাত পৌনে ১০টার দিকে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
আহতরা হলেন- ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের (২৩), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক (২৩), তানজিম(২১), সিফাত (২০), লিটন (২১), খালিদ (২৫), আলভী (২২), দেবাশীষ(২৮), আফরোজা (৩০), জিসান (২৬) ও নবাব (২২)।
এদিকে তাদের দেখতে ঢামেক হাসপাতালে আসেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মোবাইলের ফেইক স্কিন শর্ট নিয়ে আমাদের ডাকসুর নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুনকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। মামুন জীবনের নিরাপত্তার জন্য শাহবাগ থানায় যায় জিডি করতে। যেখানে মানুষের নিরাপত্তা দেবার কথা সেই থানাতেই আমাদের ভাইদের ওপর হামলা করে। শুধু তাই নয়, সাংবাদিক ভাইদের ওপরও হামলা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই হামলার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। আমরা প্রশাসনসহ ছাত্রদলের সবার সঙ্গে কথা বলব। আজ যারা আমার ভাইদের ওপর নেক্কারজনক হামলা করেছে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে।’