কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রায় ৬৮৬ কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের উপ-পরিচালক মো. সিরাজুল হক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অপর আসামিরা হলেন- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগের সাবেক সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী কবির আহমদ ও সাবেক যুগ্ম সচিব আলীম উদ্দিন আহমেদ।
এ বিষয়ে দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন বলেন, ওবায়দুল কাদেরসহ আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্পে নেগোসিয়েশন কমিটির নেগোসিয়েশন মূল্য উপেক্ষা করেন। পরে নিজেদের নিয়োজিত বিদেশি বিশেষজ্ঞের সুপারিশবিহীন অতি গুরুত্বপূর্ণ নয় এমন তিনটি কাজ পরিষেবা এলাকা, পর্যবেক্ষণ সফটওয়্যার এবং একটি ট্যাগ বোর্ড অন্তর্ভুক্তি করে সরকারের ৫৯ দশমিক ৮০ মিলিয়ন ডলার বা ৫৮৫ কোটি ২৯ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতিসাধন করেন। এছাড়াও অবৈধভাবে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ (পিপিএ ২০০৬) এর সংশ্লিষ্ট বিধান লঙ্ঘন করে ৫৫ লাখ ২১ হাজার ১৮৬ টাকা ব্যয়ে পরামর্শক নিয়োগ করেও রাষ্ট্রের ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে আরও বলা হয়েছে, নেগোসিয়েশন কমিটির মূল্যে ৬৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে প্রকল্প বাস্তবায়নের সুপারিশ করলেও অতিরিক্ত পরিষেবা এলাকা, পর্যবেক্ষণ সফটওয়ার ও ট্যাগ বোট খাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়; যা অপ্রয়োজনীয় ছিল। বিদেশি বিশেষজ্ঞরাও এই তিনটি কাজ অন্তর্ভুক্ত করার কোনও সুপারিশ করেননি। এই তিনটি খাত অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সরকার ও জনগণের প্রায় ৫৮৫ কোটি টাকার ক্ষতি করা হয়েছে।
দুদকের উপ-পরিচালক মো. সিরাজুল হক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অপর আসামিরা হলেন- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগের সাবেক সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী কবির আহমদ ও সাবেক যুগ্ম সচিব আলীম উদ্দিন আহমেদ।
এ বিষয়ে দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন বলেন, ওবায়দুল কাদেরসহ আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্পে নেগোসিয়েশন কমিটির নেগোসিয়েশন মূল্য উপেক্ষা করেন। পরে নিজেদের নিয়োজিত বিদেশি বিশেষজ্ঞের সুপারিশবিহীন অতি গুরুত্বপূর্ণ নয় এমন তিনটি কাজ পরিষেবা এলাকা, পর্যবেক্ষণ সফটওয়্যার এবং একটি ট্যাগ বোর্ড অন্তর্ভুক্তি করে সরকারের ৫৯ দশমিক ৮০ মিলিয়ন ডলার বা ৫৮৫ কোটি ২৯ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতিসাধন করেন। এছাড়াও অবৈধভাবে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ (পিপিএ ২০০৬) এর সংশ্লিষ্ট বিধান লঙ্ঘন করে ৫৫ লাখ ২১ হাজার ১৮৬ টাকা ব্যয়ে পরামর্শক নিয়োগ করেও রাষ্ট্রের ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে আরও বলা হয়েছে, নেগোসিয়েশন কমিটির মূল্যে ৬৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে প্রকল্প বাস্তবায়নের সুপারিশ করলেও অতিরিক্ত পরিষেবা এলাকা, পর্যবেক্ষণ সফটওয়ার ও ট্যাগ বোট খাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়; যা অপ্রয়োজনীয় ছিল। বিদেশি বিশেষজ্ঞরাও এই তিনটি কাজ অন্তর্ভুক্ত করার কোনও সুপারিশ করেননি। এই তিনটি খাত অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সরকার ও জনগণের প্রায় ৫৮৫ কোটি টাকার ক্ষতি করা হয়েছে।