দুর্দান্ত এক ক্রিকেট খেলে শ্রীলঙ্কাকে হারালো বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে সুপার ফোরের যাত্রা শুরু বাংলাদেশ। কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ দলের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স। তাসকিন মুস্তাফিজের হিসেবি বোলিং ঐর পর, সাইফ হাসানের ঝড়ো ফিফটি আর তাওহীদ হৃদয়ের দারুণ ইনিংসে ভর করে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে শুরুর ম্যাচেই ৪ উইকেট হাতে রেখে লঙ্কানদের হারাল টাইগাররা।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৮ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। তাদের হয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন দাসুন শানাকা। ৩৭ বলে ৬টি ছক্কা ও ৩ চার হাঁকিয়ে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন লঙ্কান অধিনায়ক।
বাংলাদেশের হয়ে মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন বোলিংয়ের সেরা, ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেছেন
১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। তবে চাপে পড়েও দলকে সামাল দেন সাইফ হাসান। ৪৫ বলে ৬১ রানের চোখ ধাঁধানো ইনিংসে ৪টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি। তার সঙ্গে তৌহিদ হৃদয় খেলেন ৩৭ বলে ৫৮ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংস, যেখানে ছিল ৪ চার ও ২ ছক্কা। দু’জনে মিলে গড়েন ৫৪ রানের জুটি, যা ম্যাচে জয় নিশ্চিত করার ভিত্তি গড়ে দেয়।
অধিনায়ক লিটন দাস করেন ২৩ রান, আর শেষদিকে শামীম হোসেন অপরাজিত থাকেন ১৪ রানে। শেষ ওভারে কিছুটা টানটান পরিস্থিতি তৈরি হলেও ১৯.৫ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশ।
শ্রীলঙ্কার হয়ে শানাকা ও হাসারাঙ্গা নেন দুটি করে উইকেট। তবে মোস্তাফিজের নিখুঁত বোলিং আর সাইফ-হৃদয়ের ব্যাটিং দাপটের সামনে লঙ্কানদের জয়ের স্বপ্ন মুছে যায়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা - ২০ ওভারে ১৬৮/৭ (শানাকা ৬৩*, ওয়েল্লালাগে ০*; নিসাঙ্কা ২২, মেন্ডিস ৩৪, মিশারা ৫, পেরেরা ১৬, আসালাঙ্কা ২১, কামিন্দু ১, হাসারাঙ্গা ২),
বাংলাদেশ- ১৯.৫ ওভারে ১৬৯/৬ (শামীম ১৪*, নাসুম ১*; তানজিদ ০, লিটন ২৩, সাইফ ৬১, হৃদয় ৫৮, জাকের ৯, মেহেদী ০)
ফল: বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: সাইফ হাসান।